• বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০৫:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কলকাতায় ফিরেই সোজা চলে গেলেন সিনেমার সেটে সরকারি টাকায় ভোটের প্রচারণা চালাচ্ছেন ঢাকার দুই সিটি প্রশাসক: আসিফ মাহমুদ ঢাকা ব্যাংকে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, অনলাইনে আবেদন শুরু চাকরি দিচ্ছে মিনিস্টার, লাগবে না অভিজ্ঞতা এআইকে নতুন তথ্যযুদ্ধের ক্ষেত্র হিসেবে দেখছেন গবেষকরা ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, মির্জা ফখরুলও ইসলাম নয়, জামায়াতও ইসলাম নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৃষি অর্থনীতি চাঙ্গা করতে ১০ হাজার কোটি টাকার তহবিল শান্তিরক্ষীরা অত্যন্ত সাহস ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করছেন: প্রধানমন্ত্রী রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলা: পূর্ণাঙ্গ রায়ে স্বাক্ষর বাকি, মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের নথি যাচ্ছে হাইকোর্টে ৪,৮০০ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানোর দাবি নাকচ করল বিজিবি

উত্তরপ্রদেশে ভয়াবহ ঝড়-বৃষ্টি ও বজ্রপাতে নিহত ৩৩, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

প্রতিবেদক / ১৮ বার
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

ভারতের উত্তরপ্রদেশে প্রবল ঝড়, ভারী বৃষ্টিপাত ও বজ্রপাতে অন্তত ৩৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। রাজ্যের পাঁচটি জেলায় এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির পাশাপাশি বহু মানুষ আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।

রাজ্য সরকারের কর্মকর্তারা বৃহস্পতিবার (১৪ মে) জানান, ভাদোহি, ফতেহপুর, বুদাউন, চন্দৌলি এবং সোনভদ্র—এই পাঁচ জেলায় ঝড়-বৃষ্টির তাণ্ডবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে। এর মধ্যে শুধুমাত্র ভাদোহি জেলাতেই ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।

ফতেহপুরে ৯ জন, বুদাউনে ৫ জন, চন্দৌলিতে ২ জন এবং সোনভদ্র জেলায় ১ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। ঝড়ের কারণে বিভিন্ন এলাকায় গাছ উপড়ে পড়া, ঘরবাড়ির দেয়াল ধসে পড়া এবং বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে পড়ার ঘটনা ঘটেছে, এতে জনজীবন ব্যাপকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।

দুর্যোগের পরপরই উদ্ধার অভিযান শুরু করে স্থানীয় প্রশাসন। তবে কিছু এলাকায় মোবাইল নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় উদ্ধারকাজে সাময়িক বিঘ্ন ঘটে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।

ফতেহপুরে ঘরবাড়ির দেয়াল ধসে নারী ও শিশুসহ ৯ জন নিহত এবং অন্তত ১৬ জন আহত হয়েছেন। বুদাউনে দুই শিশুসহ ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। একইভাবে চন্দৌলি ও সোনভদ্রেও গাছ ও ঘর ধসে প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে।

উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত সরকারি সহায়তা ও ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি জেলা প্রশাসনকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ত্রাণ কার্যক্রম নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়ে উদ্ধার ও পুনর্বাসন কার্যক্রম জোরদার করতে বলেছেন।

এ ছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার ফসল ও অবকাঠামোর ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে রাজস্ব ও কৃষি বিভাগকে জরিপ চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বীমা কোম্পানিগুলোকে দ্রুত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে, যাতে ক্ষতিগ্রস্তরা দ্রুত ক্ষতিপূরণ পান।

স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিভিন্ন জেলায় উদ্ধার ও মেরামত কাজ চলছে। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে, যাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

প্রাকৃতিক এই দুর্যোগে শুধু মানুষই নয়, গবাদি পশুরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও

ফেসবুকে আমরা