• বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০৫:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কলকাতায় ফিরেই সোজা চলে গেলেন সিনেমার সেটে সরকারি টাকায় ভোটের প্রচারণা চালাচ্ছেন ঢাকার দুই সিটি প্রশাসক: আসিফ মাহমুদ ঢাকা ব্যাংকে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, অনলাইনে আবেদন শুরু চাকরি দিচ্ছে মিনিস্টার, লাগবে না অভিজ্ঞতা এআইকে নতুন তথ্যযুদ্ধের ক্ষেত্র হিসেবে দেখছেন গবেষকরা ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, মির্জা ফখরুলও ইসলাম নয়, জামায়াতও ইসলাম নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৃষি অর্থনীতি চাঙ্গা করতে ১০ হাজার কোটি টাকার তহবিল শান্তিরক্ষীরা অত্যন্ত সাহস ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করছেন: প্রধানমন্ত্রী রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলা: পূর্ণাঙ্গ রায়ে স্বাক্ষর বাকি, মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের নথি যাচ্ছে হাইকোর্টে ৪,৮০০ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানোর দাবি নাকচ করল বিজিবি

কুলিয়ারচরে তিনশ বছরের পুরনো গ্রামের নাম পরিবর্তনের অভিযোগে উত্তেজনা

প্রতিবেদক / ৫৩ বার
আপডেট : শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬

কিশোরগঞ্জ:

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে প্রায় তিনশ বছরের পুরনো একটি গ্রামের নাম পরিবর্তনের অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। নতুন নাম ব্যবহার করে সাইনবোর্ড টাঙানোকে কেন্দ্র করে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ।

কিশোরগঞ্জ: শুক্রবার সকালে উপজেলার গোবরিয়া আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী আলগীরচর গ্রামের জিরো পয়েন্ট এলাকায় ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন করেন গ্রামবাসী। এ সময় তারা গ্রামের নাম পরিবর্তনের চেষ্টার প্রতিবাদ জানান।

স্থানীয়দের অভিযোগ, অন্য এলাকা থেকে এসে বসতি গড়া তিনটি পরিবার সম্প্রতি সেখানে কয়েকটি দোকান নির্মাণ করে “আলগীরচর” নাম ব্যবহার না করে “দশকাহনিয়া চৌধুরী বাড়ি মোড়” নামে সাইনবোর্ড টাঙিয়েছে। এতে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।

গ্রামবাসীরা জানান, শত বছরের পুরনো একটি গ্রামের নাম ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকেন্দ্রিকভাবে পরিবর্তনের চেষ্টা ভবিষ্যতে সামাজিক বিরোধের কারণ হতে পারে। গ্রামের ঐতিহ্য ও পরিচিতি রক্ষায় স্থানীয়রা সম্প্রতি তিন রাস্তার মোড়ে “আলগীরচর জিরো পয়েন্ট” নামে একটি ফলক স্থাপন করেছেন।

মানববন্ধন শেষে দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান কুলিয়ারচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইয়াছিন খন্দকার ও কুলিয়ারচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী আরিফ। তারা স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আশ্বাস দেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইয়াছিন খন্দকার বলেন, গ্রামের নাম পরিবর্তন করার এখতিয়ার কারও নেই। বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় আলোচনা হয়েছে। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানকে গ্রাম আদালতের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধানের জন্য বলা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও

ফেসবুকে আমরা