• বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০৫:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কলকাতায় ফিরেই সোজা চলে গেলেন সিনেমার সেটে সরকারি টাকায় ভোটের প্রচারণা চালাচ্ছেন ঢাকার দুই সিটি প্রশাসক: আসিফ মাহমুদ ঢাকা ব্যাংকে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, অনলাইনে আবেদন শুরু চাকরি দিচ্ছে মিনিস্টার, লাগবে না অভিজ্ঞতা এআইকে নতুন তথ্যযুদ্ধের ক্ষেত্র হিসেবে দেখছেন গবেষকরা ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, মির্জা ফখরুলও ইসলাম নয়, জামায়াতও ইসলাম নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৃষি অর্থনীতি চাঙ্গা করতে ১০ হাজার কোটি টাকার তহবিল শান্তিরক্ষীরা অত্যন্ত সাহস ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করছেন: প্রধানমন্ত্রী রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলা: পূর্ণাঙ্গ রায়ে স্বাক্ষর বাকি, মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের নথি যাচ্ছে হাইকোর্টে ৪,৮০০ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানোর দাবি নাকচ করল বিজিবি

বৈশ্বিক চাপের মধ্যেও চীন-রাশিয়া সম্পর্ক আরও জোরালো করার বার্তা পুতিন-জিনপিংয়ের

প্রতিবেদক / ২৭ বার
আপডেট : বুধবার, ২০ মে, ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

আন্তর্জাতিক ভূরাজনীতির উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যেই চীন ও রাশিয়ার কৌশলগত সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার বার্তা দিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে বেইজিং পৌঁছে চীনা নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেন পুতিন।

চীনা রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, বেইজিংয়ে পৌঁছানোর পর রুশ প্রেসিডেন্টকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়। বৈঠকে শি জিনপিং বলেন, বৈশ্বিক অস্থিরতার মধ্যেও দুই দেশের সহযোগিতা আরও গভীর ও সুসংহত হয়েছে। আন্তর্জাতিক কৌশলগত স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে বেইজিং ও মস্কো একসঙ্গে কাজ করবে বলেও জানান তিনি।

বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বেইজিং সফরের পরপরই পুতিনের এই সফর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করছে। পশ্চিমা চাপ ও নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে চীন-রাশিয়া সম্পর্ক যে আগের চেয়ে আরও ঘনিষ্ঠ হয়েছে, সেটিই এই সফরের মূল তাৎপর্য।

চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দুই দেশের বহুমুখী সহযোগিতা আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। রাষ্ট্রক্ষমতায় আসার পর এটি চীনে পুতিনের ২৫তম সফর।
রাজনৈতিক বার্তার পাশাপাশি সফরের পেছনে বড় অর্থনৈতিক সমীকরণও রয়েছে। ইউক্রেন যুদ্ধের পর পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার মুখে রাশিয়ার জ্বালানি রপ্তানির অন্যতম প্রধান গন্তব্যে পরিণত হয়েছে চীন। মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা ও হরমুজ প্রণালীর উত্তেজনার কারণে বেইজিং এখন স্থলপথে জ্বালানি সরবরাহ বাড়ানোর দিকেও গুরুত্ব দিচ্ছে।

এই প্রেক্ষাপটে দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা ‘পাওয়ার অব সাইবেরিয়া-২’ গ্যাস পাইপলাইন প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য চীনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে মস্কো। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে চীনে রুশ গ্যাস রপ্তানি আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের সঙ্গে দূরত্ব বাড়তে থাকায় বেইজিং ও মস্কো এখন বহুমেরুকেন্দ্রিক বিশ্বব্যবস্থা গড়ে তোলার দিকে আরও মনোযোগী হয়ে উঠছে। পুতিন ও শি জিনপিংয়ের এই ঘনিষ্ঠ সমন্বয় ভবিষ্যৎ বিশ্ব রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে বলেও মনে করছেন তারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও

ফেসবুকে আমরা