সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানিয়েছেন, সময় মত চিৎকার না করলে তাকে মেরে ফেলে সব লুটপাট করে তারপর ধর্ষণের চেষ্টা করত।
ফারিন ফেসবুকে লেখেন, ‘১৩ তারিখ জামালপুর যাওয়ার পথে আনুমানিক রাত ৩টা ১৫ মিনিটে বাধ্য হয়ে একটি পেট্রোল পাম্পের ওয়াশরুমে যাই। ভেতরে যাওয়ার কয়েক মিনিট পর হঠাৎই মনে হলো, আমার পেছনে কেউ দাঁড়িয়ে আছে। তাকিয়ে দেখি, ভেন্টিলেটর দিয়ে দুটো হাত ঠিক আমার গলার কাছে!
হয়তো আমি সময়মতো চিৎকার না করলে আমাকে মেরে সবকিছু লুটপাট করত, এমনকি ধর্ষণের চেষ্টাও করত।
তার হাতে অনেকগুলো ডিমের খোসা ছিল। তাই সে ভেবেছিল, হয়তো ময়লা ফেলতে যাচ্ছে।
অভিনেত্রী লেখেন, ‘আমার চিৎকার শুনেই সে বুঝতে পারে কিছু একটা ঘটেছে। বাইরে থেকে হয়তো আমি সাহসী থাকার চেষ্টা করেছি, কিন্তু ভেতরে ভেতরে কতটা ভয় পেয়েছিলাম, সেটা ভাষায় প্রকাশ করার মতো না।’
ঘটনাটি পরেরদিন শুটিং ইউনিটের সবাইকে জানিয়েছেন উল্লেখ করে তিনি লেখেন, ‘প্রথমে ভাবছিলাম বিষয়টা কাউকে বলব না।
এরপর ফারিন লেখেন, ‘আমরা যারা বাইরে কাজ করি, তারা জানি প্রতিনিয়ত কত ধরনের পরিস্থিতির শিকার হতে হয়। যে দেশে আমাকে (একজন নারীকে) আমার পোশাক দিয়ে বিচার করা হয়, সেখানে ধর্ষণের মতো আচরণ শুধুই মেয়েদের দোষ, বাংলাদেশের ইতিহাসে তেমন কোনো বিচার কখনো হয়নি যেটার ভয়ে এসব বন্ধ হবে। সত্যিই এই দেশে মেয়েরা নিরাপদ না।’