• বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০৫:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কলকাতায় ফিরেই সোজা চলে গেলেন সিনেমার সেটে সরকারি টাকায় ভোটের প্রচারণা চালাচ্ছেন ঢাকার দুই সিটি প্রশাসক: আসিফ মাহমুদ ঢাকা ব্যাংকে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, অনলাইনে আবেদন শুরু চাকরি দিচ্ছে মিনিস্টার, লাগবে না অভিজ্ঞতা এআইকে নতুন তথ্যযুদ্ধের ক্ষেত্র হিসেবে দেখছেন গবেষকরা ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, মির্জা ফখরুলও ইসলাম নয়, জামায়াতও ইসলাম নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৃষি অর্থনীতি চাঙ্গা করতে ১০ হাজার কোটি টাকার তহবিল শান্তিরক্ষীরা অত্যন্ত সাহস ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করছেন: প্রধানমন্ত্রী রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলা: পূর্ণাঙ্গ রায়ে স্বাক্ষর বাকি, মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের নথি যাচ্ছে হাইকোর্টে ৪,৮০০ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানোর দাবি নাকচ করল বিজিবি

৩০ বছর ধরে ট্যাংকারের পানির ওপর নির্ভর ৪০০ পরিবার

প্রতিবেদক / ১৪ বার
আপডেট : রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

ভারতের পাঞ্জাবের মোগা জেলার নেহের বস্তিতে গত তিন দশক ধরে পানির সংকট চরম আকার ধারণ করেছে। প্রায় ৪০০ পরিবারের জীবন এখন পুরোপুরি নির্ভর করছে পানিবাহী ট্যাংকারের ওপর।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বস্তির পাশ দিয়ে দুন্নেকে খাল প্রবাহিত হলেও সেখানে পানির কোনো ব্যবস্থা নেই। ফলে প্রতিদিনের প্রয়োজন মেটাতে পৌরসভার পাঠানো ট্যাংকারের পানি বা দূরবর্তী উৎস থেকে সংগ্রহ করা পানিই তাদের একমাত্র ভরসা।

বাসিন্দারা জানান, গত ৩০ বছরে কোনো সরকারই এখানে স্থায়ী পানির সংযোগ স্থাপন করেনি। গরমের দিনে ট্যাংকার দেরিতে এলে তাদের প্রায় তিন কিলোমিটার দূরে গিয়ে গুরুদুয়ারা বা সরকারি কল থেকে পানি আনতে হয়। এতে নারী ও শিশুদের দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়।

স্থানীয় নারীরা অভিযোগ করেন, অনেক সময় পর্যাপ্ত পানি না থাকায় দিন কাটে গোসল ছাড়াই। শিশুদেরও বাধ্য হয়ে অপরিচ্ছন্ন অবস্থায় স্কুলে যেতে হয়। এমনকি কাপড় ধোয়ার মতো প্রয়োজনীয় পানিও নিয়মিত পাওয়া যায় না।

বস্তির বাসিন্দাদের জাতীয় পরিচয়পত্র, ভোটার আইডি থাকলেও অভিযোগ রয়েছে, রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও এখনো স্থায়ী পানির ব্যবস্থা হয়নি।

একজন বাসিন্দা আক্ষেপ করে বলেন, “ট্যাংকার থেকেই পানি নিতে হয়, অন্য কোনো উপায় নেই।” আরেকজন জানান, দীর্ঘদিন ধরে একই দুর্ভোগ চললেও কারও স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ নেই।

স্থানীয়দের দাবি, পাশের শুকিয়ে যাওয়া খালটি পুনরায় সচল করা হলে অন্তত কিছুটা হলেও পানির সংকট কমে আসতে পারে। সূত্র : ইন্ডিয়া টুডে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও

ফেসবুকে আমরা