• বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০৫:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কলকাতায় ফিরেই সোজা চলে গেলেন সিনেমার সেটে সরকারি টাকায় ভোটের প্রচারণা চালাচ্ছেন ঢাকার দুই সিটি প্রশাসক: আসিফ মাহমুদ ঢাকা ব্যাংকে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, অনলাইনে আবেদন শুরু চাকরি দিচ্ছে মিনিস্টার, লাগবে না অভিজ্ঞতা এআইকে নতুন তথ্যযুদ্ধের ক্ষেত্র হিসেবে দেখছেন গবেষকরা ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, মির্জা ফখরুলও ইসলাম নয়, জামায়াতও ইসলাম নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৃষি অর্থনীতি চাঙ্গা করতে ১০ হাজার কোটি টাকার তহবিল শান্তিরক্ষীরা অত্যন্ত সাহস ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করছেন: প্রধানমন্ত্রী রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলা: পূর্ণাঙ্গ রায়ে স্বাক্ষর বাকি, মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের নথি যাচ্ছে হাইকোর্টে ৪,৮০০ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানোর দাবি নাকচ করল বিজিবি

ঈদের আগে মজুরি বন্ধ, চার চা বাগানে শ্রমিকদের কর্মবিরতি

প্রতিবেদক / ১২ বার
আপডেট : মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জের চারটি চা বাগানে সাপ্তাহিক মজুরি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় শ্রমিকরা কর্মবিরতিতে নেমেছেন। দেউন্দি টি কোম্পানির অধীন কমলগঞ্জের মিরতিংগা এবং হবিগঞ্জের লালচাঁদ, নয়াপাড়া ও দেউন্দি চা বাগানে এই অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

বাগান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক থেকে প্রয়োজনীয় ঋণ না পাওয়ায় অর্থ সংকটে পড়েছে প্রতিষ্ঠানটি। ফলে ২১ মে থেকে শ্রমিকদের সাপ্তাহিক মজুরি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত অন্যান্য ব্যয় নির্বাহও সম্ভব নয় বলে জানানো হয়। তবে ঋণ সংগ্রহের চেষ্টা চলছে বলে দাবি করেছে কর্তৃপক্ষ।

শ্রমিকদের অভিযোগ, গত বৃহস্পতিবার সাপ্তাহিক মজুরি দেওয়ার কথা থাকলেও তা পরিশোধ করা হয়নি। ঈদুল আজহার আগে হঠাৎ মজুরি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় শ্রমিক পরিবারগুলো চরম আর্থিক সংকটে পড়েছে। বিশেষ করে মিরতিংগা চা বাগানের মুসলিম শ্রমিক পরিবারগুলোর মধ্যে উদ্বেগ ও হতাশা আরও বেড়েছে।

বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের মনু–ধলই ভ্যালির সভাপতি ও ইউপি সদস্য ধনা বাউরি বলেন, “পূর্ণ মজুরি না পাওয়ায় শ্রমিকরা বাধ্য হয়ে কর্মবিরতিতে গেছেন। বকেয়া মজুরি নিয়েও কোনো নিশ্চয়তা নেই।”
চা শ্রমিক নেতারা বলছেন, বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে দৈনিক প্রায় ১৮৭ টাকা মজুরিতে জীবন চালানোই কঠিন। তার ওপর সাপ্তাহিক মজুরি বন্ধ হয়ে গেলে শ্রমিক পরিবারগুলো মানবিক সংকটে পড়ে। তারা দ্রুত বকেয়া পরিশোধ করে বাগান চালুর দাবি জানিয়েছেন।

অন্যদিকে অভিযোগ অস্বীকার করে মিরতিংগা চা বাগানের ডেপুটি ব্যবস্থাপক রেজাউল হায়াত খান (ইমন) জানান, শ্রমিকদের কোনো বকেয়া নেই। ব্যাংক থেকে অর্থ উত্তোলন সম্ভব না হওয়ায় নির্ধারিত সময়ে মজুরি দেওয়া যায়নি। তিনি আরও বলেন, শ্রমিকদের অর্ধেক মজুরি দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হলেও তারা তা গ্রহণ করেননি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও

ফেসবুকে আমরা