• বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০৫:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কলকাতায় ফিরেই সোজা চলে গেলেন সিনেমার সেটে সরকারি টাকায় ভোটের প্রচারণা চালাচ্ছেন ঢাকার দুই সিটি প্রশাসক: আসিফ মাহমুদ ঢাকা ব্যাংকে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, অনলাইনে আবেদন শুরু চাকরি দিচ্ছে মিনিস্টার, লাগবে না অভিজ্ঞতা এআইকে নতুন তথ্যযুদ্ধের ক্ষেত্র হিসেবে দেখছেন গবেষকরা ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, মির্জা ফখরুলও ইসলাম নয়, জামায়াতও ইসলাম নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৃষি অর্থনীতি চাঙ্গা করতে ১০ হাজার কোটি টাকার তহবিল শান্তিরক্ষীরা অত্যন্ত সাহস ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করছেন: প্রধানমন্ত্রী রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলা: পূর্ণাঙ্গ রায়ে স্বাক্ষর বাকি, মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের নথি যাচ্ছে হাইকোর্টে ৪,৮০০ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানোর দাবি নাকচ করল বিজিবি

মৌলভীবাজারে বজ্রপাতে প্রান গেল ১৪টি প্রানীর

প্রতিবেদক / ৩৮ বার
আপডেট : বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬

তিমির বনিক,মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:

মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলায় বজ্রপাতে চা শ্রমিক পরিবারের ১৩টি গরু ও ১টি মহিষ মারা গেছে। আকস্মিক এ ঘটনায় কয়েকটি চা শ্রমিক পরিবার বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে। বুধবার (৩ জুন) দুপুরে উপজেলার গোয়ালবাড়ী ইউনিয়নের কুচাই জ্বালাই ও পাথরটিলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার দুপুরে এলাকায় ঝড়-বৃষ্টির সঙ্গে কয়েক দফা বজ্রপাত হয়। এ সময় মাঠে চরতে থাকা চা শ্রমিক পরিবারের ১৩টি গরু ও ১টি মহিষ বজ্রাঘাতে ঘটনাস্থলেই মারা যায়। হঠাৎ ঘটে যাওয়া এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মধ্যে শোক ও হতাশা নেমে এসেছে।

স্থানীয়দের ভাষ্য, মৃত গবাদিপশুগুলো ছিল এসব পরিবারের আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস। অনেক পরিবার দুধ বিক্রি ও গবাদিপশু লালন-পালনের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করত। এক মুহূর্তের মধ্যে তাদের গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হারিয়ে যাওয়ায় পরিবারগুলো চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে।

এলাকাবাসী জানান, ক্ষতিগ্রস্তদের অধিকাংশই নিম্নআয়ের চা শ্রমিক। দীর্ঘদিন ধরে কষ্ট করে গবাদিপশু পালন করে তারা নিজেদের আর্থিক অবস্থার উন্নতির চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু বজ্রপাতের ঘটনায় তাদের সেই স্বপ্ন বড় ধাক্কা খেয়েছে।

ঘটনার পর স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসী ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য দ্রুত সরকারি সহায়তার দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, দরিদ্র ও খেটে খাওয়া এসব পরিবারের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে জরুরি ভিত্তিতে আর্থিক সহযোগিতা এবং পুনর্বাসন সহায়তা প্রয়োজন।

স্থানীয়রা আরও বলেন, গবাদিপশু হারানোর ফলে শুধু আর্থিক ক্ষতিই হয়নি, অনেক পরিবারের ভবিষ্যৎ জীবিকাও হুমকির মুখে পড়েছে। তাই মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

এ বিষয়ে জুড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুশফিকীন নূর বলেন, “আমি ঘটনাটি শুনেছি। এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে সহায়তার জন্য চেষ্টা করা হবে।”

এদিকে বজ্রপাতের ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানোর জন্য স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি এবং সমাজের বিত্তবানদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন এলাকাবাসী। তারা আশা করছেন, দ্রুত সরকারি সহায়তা পেলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো কিছুটা হলেও ঘুরে দাঁড়াতে সক্ষম হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও

ফেসবুকে আমরা