নেইমারকে ২৬ সদস্যের চূড়ান্ত দলে নেওয়াটা ঝুঁকিপূর্ণ সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচিত হয়েছিল, কারণ তার শারীরিক অবস্থা নিয়ে শঙ্কা ছিল। ব্রাজিলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা নেইমারের গোল সংখ্যা ৭৯। তবে ২০২৩ সালের অক্টোবরে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে বাম হাঁটুর অ্যান্টেরিয়র ক্রুসিয়েট লিগামেন্ট (এএসিএল) ছিঁড়ে যাওয়ার পর মাঠে ফেরার পর থেকে তিনি সংগ্রাম করে যাচ্ছেন।
গত মাসে কোচ কার্লোস আনচেলত্তি বলেছিলেন, ‘বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচের আগে সে এখনও নিজের ফিটনেস আরও উন্নত করতে পারবে। এ ধরনের প্রতিযোগিতায় তার অভিজ্ঞতা আছে, আমাদের দলের সবাই তাকে ভালোবাসে। সে এই দলের পরিবেশকে আরও ভালো করতে পারে।’












