আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরান এখনো নিজেদের অবস্থানে অনড় ও আত্মবিশ্বাসী থাকায় তাদের সঙ্গে কোনো চুক্তিতে পৌঁছানো কঠিন হচ্ছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন।
ট্রাম্প বলেন, ইরানি নেতৃত্ব ‘শক্তিশালী’ এবং ‘অহংকারী’, তবে শেষ পর্যন্ত তাদের আলোচনায় আসা ছাড়া কোনো বিকল্প থাকবে না। তাঁর ভাষায়, “তারা গর্বিত। এমন কিছু বিষয় আছে যা তারা কখনো করবে ভাবেনি, কিন্তু এখন করতে হবে। তাদের সামনে আর কোনো বিকল্প নেই। তবে এসব বিষয়ে সময় লাগে।”
তিনি আরও দাবি করেন, সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানে ইরানের সামরিক সক্ষমতা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন ও উৎক্ষেপণ–সম্পর্কিত বহু স্থাপনা ধ্বংস করা হয়েছে। তবে এখনো ইরানের কাছে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন রয়েছে বলেও তিনি স্বীকার করেন।
ট্রাম্প বলেন, যুদ্ধ শুরুর সময়ের তুলনায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতার একটি অংশ এখনো অবশিষ্ট আছে, তবে বড় অংশই দুর্বল হয়ে পড়েছে।
তিনি আরও জানান, দীর্ঘদিনের শত্রুতা একদিনে শেষ করা সম্ভব নয় এবং দুই দেশের মধ্যে সমঝোতায় পৌঁছাতে ধৈর্য প্রয়োজন। তাঁর মতে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের বিরোধ বহু দশকের পুরোনো।
এছাড়া তিনি আবারও দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সামরিক পদক্ষেপ ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখার উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেন, চুক্তি না হলে বিকল্প পথ খোলা রয়েছে, যা মোটেও সুখকর হবে না।