স্পোর্টস ডেস্কঃ
ফুটবলের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ আসর বিশ্বকাপ ঘিরে সবসময়ই থাকে তারকাদের উপস্থিতির প্রত্যাশা। কিন্তু ইনজুরি, ফর্মহীনতা ও কোচের কৌশলগত সিদ্ধান্ত—সব মিলিয়ে এবারও বেশ কয়েকজন বড় নামকে মাঠের বদলে ঘর থেকেই দেখতে হবে বিশ্বকাপ। কেউ দীর্ঘমেয়াদি ইনজুরিতে, কেউ আবার স্কোয়াডে জায়গা হারিয়ে হয়েছেন অনুপস্থিত।
ইংল্যান্ড
ট্রেন্ট আলেকজান্ডার-আর্নল্ড
রিয়াল মাদ্রিদের এই ডানপ্রান্তের ডিফেন্ডার ইনজুরি ও ফর্মহীনতার কারণে স্কোয়াডের বাইরে। টমাস টুখেল ডানদিকে রিস জেমস, জেড স্পেন্স ও টিনো লিভ্রামেন্টোকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন।
হ্যারি ম্যাগুয়ের
ক্লাবে ভালো মৌসুম কাটালেও জাতীয় দলে কোচের পরিকল্পনায় জায়গা হয়নি। বাদ পড়ায় নিজেও বিস্ময় প্রকাশ করেছেন।
কোল পামার
ইনজুরির কারণে পুরো মৌসুমে ধারাবাহিকতা রাখতে না পারায় স্কোয়াডে জায়গা হারিয়েছেন। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে আগের পারফরম্যান্স থাকা সত্ত্বেও তাকে ছাড়াই দল গঠন করা হয়েছে।
ফিল ফোডেন
ফর্মের পতন ও জাতীয় দলে ধারাবাহিক ব্যর্থতার কারণে দলে জায়গা হয়নি এই আক্রমণাত্মক মিডফিল্ডারের।
ব্রাজিল
হোয়াও পেদ্রো
ক্লাবে গোল করলেও জাতীয় দলে প্রত্যাশিত প্রভাব না ফেলায় কোচের পরিকল্পনায় বাদ পড়েছেন।
এস্তেভাও
তরুণ এই উইঙ্গার ইনজুরির কারণে পুরোপুরি ছিটকে গেছেন বিশ্বকাপ থেকে।
রদ্রিগো
ক্রুশিয়েট লিগামেন্ট ইনজুরিতে দীর্ঘ সময় মাঠের বাইরে থাকায় বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া সম্ভব হয়নি।
স্পেন
দানি কারভাহাল
ফিটনেস জটিলতা ও ইনজুরি উদ্বেগের কারণে শেষ পর্যন্ত দলে জায়গা হয়নি অভিজ্ঞ এই ডিফেন্ডারের।
ডিন হুইজেন
তরুণ এই ডিফেন্ডারের বাদ পড়া নিয়ে সমর্থকদের মধ্যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
ফ্রান্স
হুগো একিতিকে
দুর্দান্ত মৌসুম কাটালেও অ্যাকিলিস ইনজুরির কারণে বিশ্বকাপের মঞ্চে যেতে পারেননি।
এদুয়ার্দো কামাভিঙ্গা
ইনজুরি ও ফর্মহীনতার কারণে ২০২২ ফাইনাল খেলা এই মিডফিল্ডার এবার স্কোয়াডের বাইরে।
জার্মানি
লেনার্ট কার্ল
শেষ মুহূর্তে ইনজুরিতে পড়ে বিশ্বকাপের সুযোগ হারিয়েছেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড।
মার্ক-আন্দ্রে টের স্টেগেন
অভিজ্ঞ এই গোলরক্ষক ইনজুরি ও ফর্মের সমস্যায় স্কোয়াডে জায়গা পাননি।
বিশ্বকাপের আগে এমন একাধিক বড় নামের অনুপস্থিতি টুর্নামেন্টের ভারসাম্য ও উত্তেজনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে—তবে একই সঙ্গে সমর্থকদের মনে তৈরি করেছে গভীর হতাশা।