• বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০৫:০১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কলকাতায় ফিরেই সোজা চলে গেলেন সিনেমার সেটে সরকারি টাকায় ভোটের প্রচারণা চালাচ্ছেন ঢাকার দুই সিটি প্রশাসক: আসিফ মাহমুদ ঢাকা ব্যাংকে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, অনলাইনে আবেদন শুরু চাকরি দিচ্ছে মিনিস্টার, লাগবে না অভিজ্ঞতা এআইকে নতুন তথ্যযুদ্ধের ক্ষেত্র হিসেবে দেখছেন গবেষকরা ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, মির্জা ফখরুলও ইসলাম নয়, জামায়াতও ইসলাম নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৃষি অর্থনীতি চাঙ্গা করতে ১০ হাজার কোটি টাকার তহবিল শান্তিরক্ষীরা অত্যন্ত সাহস ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করছেন: প্রধানমন্ত্রী রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলা: পূর্ণাঙ্গ রায়ে স্বাক্ষর বাকি, মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের নথি যাচ্ছে হাইকোর্টে ৪,৮০০ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানোর দাবি নাকচ করল বিজিবি

বাজেট সংকোচনে যুক্তরাষ্ট্রের সমুদ্র গবেষণা কর্মসূচি বিপর্যয়ের শঙ্কা

প্রতিবেদক / ৪ বার
আপডেট : সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

বিশ্ব মহাসাগর দিবসে সমুদ্র গবেষণা ও জলবায়ু পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থার ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বিজ্ঞানীরা সতর্ক করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয়সংকোচন নীতির কারণে গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পর্যবেক্ষণ কার্যক্রম সীমিত হয়ে গেলে বৈশ্বিক আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং এল নিনো পূর্বাভাস ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে দুর্বল হয়ে পড়তে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের ‘ওশান অবজারভেটরিজ ইনিশিয়েটিভ’ দীর্ঘদিন ধরে সমুদ্রের তাপমাত্রা, অম্লতা, সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্র এবং জলবায়ু পরিবর্তনসংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করে আসছে। এই তথ্য বিশ্বজুড়ে গবেষক, নীতিনির্ধারক ও আবহাওয়াবিদদের জন্য অপরিহার্য হিসেবে বিবেচিত।

প্যারিসভিত্তিক সমুদ্রবিজ্ঞানী সাবরিনা স্পাইক সতর্ক করে বলেছেন, এই পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়লে ঘূর্ণিঝড়, এল নিনোসহ চরম আবহাওয়ার পূর্বাভাসের নির্ভুলতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যেতে পারে। এর প্রভাব শুধু বিজ্ঞানেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; কৃষি, বিমা ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাতেও বড় ধরনের অর্থনৈতিক ঝুঁকি তৈরি হবে।

সম্প্রতি ‘নেচার ক্লাইমেট চেঞ্জ’ সাময়িকীতে প্রকাশিত এক গবেষণায় বলা হয়েছে, এই পর্যবেক্ষণ সক্ষমতা কমে গেলে সমুদ্রের উষ্ণতা বৃদ্ধির হিসাব আরও অনিশ্চিত হয়ে পড়তে পারে। গবেষকদের মতে, বৈশ্বিক জলবায়ু বোঝার ক্ষেত্রে সমুদ্রের তাপমাত্রা অন্যতম প্রধান সূচক।

এদিকে ন্যাশনাল সায়েন্স ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, কর্মসূচিটি পুরোপুরি বন্ধ করা হচ্ছে না, তবে এর কার্যক্রম সীমিত করা হবে। কতটা তথ্য সংগ্রহ সক্ষমতা অবশিষ্ট থাকবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সমুদ্র পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা পৃথিবীর মহাসাগরের ‘চোখ ও কান’ হিসেবে কাজ করে। এই ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে গেলে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা ও দুর্যোগ প্রস্তুতিতে বৈশ্বিক সক্ষমতাও হ্রাস পেতে পারে।
তথ্যসূত্র: দ্য গার্ডিয়ান


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও

ফেসবুকে আমরা