• বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০৫:০০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কলকাতায় ফিরেই সোজা চলে গেলেন সিনেমার সেটে সরকারি টাকায় ভোটের প্রচারণা চালাচ্ছেন ঢাকার দুই সিটি প্রশাসক: আসিফ মাহমুদ ঢাকা ব্যাংকে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, অনলাইনে আবেদন শুরু চাকরি দিচ্ছে মিনিস্টার, লাগবে না অভিজ্ঞতা এআইকে নতুন তথ্যযুদ্ধের ক্ষেত্র হিসেবে দেখছেন গবেষকরা ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, মির্জা ফখরুলও ইসলাম নয়, জামায়াতও ইসলাম নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৃষি অর্থনীতি চাঙ্গা করতে ১০ হাজার কোটি টাকার তহবিল শান্তিরক্ষীরা অত্যন্ত সাহস ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করছেন: প্রধানমন্ত্রী রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলা: পূর্ণাঙ্গ রায়ে স্বাক্ষর বাকি, মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের নথি যাচ্ছে হাইকোর্টে ৪,৮০০ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানোর দাবি নাকচ করল বিজিবি

নওগাঁ মধ্যরাতের অভিযানে ৯০ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

প্রতিবেদক / ২০ বার
আপডেট : সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬

মোকছেদুল ইসলাম
স্টাফ রিপোর্টার, (নওগাঁ)

নওগাঁ জেলা পুলিশের মধ্যরাতের বিশেষ মাদকবিরোধী অভিযানে প্রায় ৪০ লাখ টাকা মূল্যের ৯০ কেজি শুকনা গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ সময় মাদক সংরক্ষণে ব্যবহৃত একটি গোপন গোডাউনেরও সন্ধান পাওয়া যায়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৬ জুন পাড়ইল ইউনিয়নে ট্রান্সফরমার চুরির একটি ঘটনার তথ্য পুলিশ সুপারের কাছে পৌঁছায়। বিষয়টি তদন্তের জন্য নিয়ামতপুর থানার অফিসার ইনচার্জকে নির্দেশনা দেওয়া হয়। তদন্তের ধারাবাহিকতায় ৭ জুন রাতে সন্দেহভাজন হামেদুল ইসলামকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ব্যাপক তদন্তে তিনি মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন।
এরপর ৮ জুন রাত ১২টা ৫ মিনিট থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত পুলিশ সুপার নওগাঁ মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের দিকনির্দেশনায় নিয়ামতপুর থানার অফিসার ইনচার্জের নেতৃত্বে একটি বিশেষ টিম উপজেলার ৬নং পাড়ইল ইউনিয়নের তুলার বাঐল গ্রামের একটি বসতবাড়িতে অভিযান চালায়। অভিযানে ৯০ কেজি শুকনা গাঁজা উদ্ধার এবং দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন—
১। মোঃ হামেদুল ইসলাম (৩৫)
২। মোঃ রশিদ (৪৪)
তারা উভয়েই নওগাঁ জেলার নিয়ামতপুর উপজেলার পাড়ইল ইউনিয়নের তুলার বাঐল গ্রামের বাসিন্দা।

পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা স্বীকার করেছেন যে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত এলাকা থেকে ট্রাক ও হাইস মাইক্রোবাসযোগে গাঁজা এনে ওই বাড়ির দোতলা মাটির ভবনে মজুদ রাখা হতো। পরে সেখান থেকে নওগাঁসহ পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন জেলায় পাইকারি ও খুচরা বিক্রি করা হতো।

এছাড়া হামেদুল প্রতি ৩০ কেজি গাঁজা মজুদের বিপরীতে বাড়ির মালিক হিসেবে ৫ হাজার টাকা করে পেতেন বলেও জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে।

এ ঘটনায় নিয়ামতপুর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। একই সঙ্গে এ চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যান্য সদস্যদের শনাক্তে গভীর তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এ বিষয়ে নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, “নওগাঁ জেলা পুলিশ মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে। মাদক নির্মূলে আগামী দিনগুলোতে অভিযান আরও জোরদার করা হবে।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও

ফেসবুকে আমরা