• বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০৫:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কলকাতায় ফিরেই সোজা চলে গেলেন সিনেমার সেটে সরকারি টাকায় ভোটের প্রচারণা চালাচ্ছেন ঢাকার দুই সিটি প্রশাসক: আসিফ মাহমুদ ঢাকা ব্যাংকে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, অনলাইনে আবেদন শুরু চাকরি দিচ্ছে মিনিস্টার, লাগবে না অভিজ্ঞতা এআইকে নতুন তথ্যযুদ্ধের ক্ষেত্র হিসেবে দেখছেন গবেষকরা ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, মির্জা ফখরুলও ইসলাম নয়, জামায়াতও ইসলাম নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৃষি অর্থনীতি চাঙ্গা করতে ১০ হাজার কোটি টাকার তহবিল শান্তিরক্ষীরা অত্যন্ত সাহস ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করছেন: প্রধানমন্ত্রী রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলা: পূর্ণাঙ্গ রায়ে স্বাক্ষর বাকি, মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের নথি যাচ্ছে হাইকোর্টে ৪,৮০০ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানোর দাবি নাকচ করল বিজিবি

পুঠিয়ায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা হতে অব্যাহতি চেয়ে ভুক্তভোগী ও এলাকাবাসীর সংবাদ সম্মেলন

প্রতিবেদক / ১০ বার
আপডেট : মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬

সিহাব আলম সম্রাট
পুঠিয়া উপজেলা প্রতিনিধি

রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার ধোপাপাড়া ইউনিয়নের কারিগরপাড়ায় মিথ্যা ধর্ষন মামলা থেকে অব্যাহতি ও ন্যায় বিচারের দাবিতে দেহব্যবসায়ী ও মাদক কারবারি রশিদা খাতুন (রশনি দেওয়ান) এর বিরুদ্ধে ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসীর সংবাদ সম্মেলন।

৯ জুন মঙ্গলবার সকাল ১১:৩০ মিনিটে কারিগরপাড়ায় ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় নারী-পুরুষরা রশিদা খাতুন ওরফে রশনি দেওয়ানের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় নারী পুরুষরা রশনি দেওয়ানের বিচারের এবং মিথ্যা ধর্ষণ মামলা প্রত্যাহারের দাবি করেন। এ সময় এলাকাবাসী কে ‘মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার চাই’ স্লোগান দিয়ে বিক্ষোভ করতেও দেখা যায়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে আনোয়ার হোসেন নামের এক ব্যক্তি বলেন, “নলডাঙ্গা উপজেলার বাসিন্দা রশনি দেওয়ান পুঠিয়া উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় বাসা বাড়ি ভাড়া নিয়ে মাদক ও দেহ ব্যবসা করে আসছিল। তারই ধারাবাহিকতায় আমাদের কারিগর পাড়া এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে অনৈতিক কাজ করার সময় এলাকাবাসী হাতেনাতে ধরে ফেলে। পরে স্থানীয় নেতৃবৃন্দরা সালিশের মাধ্যমে বিষয়টি সুরাহা করে দেয় ও দুই পরিবারের অভিভাবকদের কাছে দুজনকে তুলে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে ওই সালিশটি রশনি দেওয়ানের পছন্দ না হওয়ায়, পাঁচ জন ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিথ্যা ধর্ষণ মামলা দেয় রশনি। আমরা ওই মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানায়”।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী পাশের বাড়ির সোনিয়া বেগম বলেন, “ওই মহিলা একাই বাসায় থাকে। আর বিভিন্ন পুরুষ মানুষ ওই বাড়িতে যাওয়া আসা করে। পরে একজন অপরিচিত ছেলে সহ ওই নারীকে উলঙ্গ অবস্থায় স্থানীয় এলাকাবাসী ধরে ফেলে। পরে সালিশের মাধ্যমে ওই ছেলেকে তার গার্জিয়ানরা নিয়ে যায়, এবং ওই নারীকেও, নারীর লোকজন এসে নিয়ে যায়”।

মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া মুরাদ হোসেনের স্ত্রী রাশেদা বেগম বলেন, “আমার স্বামী বিদেশে থাকে। বিদেশ থেকে আসার পরে আমার স্বামীকে বিদেশ না যেতে দেওয়ার জন্য চক্রান্ত করে এ মামলা দেওয়া হয়েছে। আমি আমার স্বামীর মুক্তির দাবি জানায়”।

বাড়িওয়ালা শাহিনা বেগম বলেন, “আমাকে বলেছিল তার ছেলে এবং ছেলের বউ সহ বাড়িতে আসবে। পরে দেখি সে একা। তারপরে শুনি এসব ঘটনা।

মুঞ্জুরা বেগম বলেন, “বিদেশ যেতে না দেওয়ার জন্য এই চক্রান্ত করা হয়েছে। সালিশে ফায়সালা হওয়ার পরে মুরাদ সেখানে এসেছিল”। এবং অন্যান্য আসামিরা সালিশে উপস্থিত ছিল।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও

ফেসবুকে আমরা