• সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ০৭:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বেলকুচিতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অপরাধে ৪ সিএনজি চালককে অর্থদণ্ডে দণ্ডিত বিচারের নামে অবিচার ও দীর্ঘসূত্রিতায় দেশে অপরাধ বাড়ছে: ডা. শফিকুর রহমান হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে শপিং মল বন্ধের নির্দেশনা তোফায়েল আহমেদের প্রথম জানাজা ধানমণ্ডিতে দেশের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এলো মে মাসে আদিতমারীতে দুলাভাইয়ের মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে প্রা’ণ গেল শ্যালিকার ৪০ বছরের বেশি সময় ধরে সংবাদ বিতরণে নিরলস সুরমান গাজী বহুমাত্রিক প্রতিভা কবি আলমগীর কবীর হৃদয় এর ৪৮ তম জন্মদিন ভোলাহাটে বিদ্যুতের সর্টসার্কিটের আগুনে ৩টি বসতবাড়ীর ১১টি ঘর সম্পূর্ণ ভস্মিভূত!

অপূর্বের যে নাটক দেখে ইমোশনাল হয়ে পড়ছেন দর্শকরা!

প্রতিবেদক / ৫ বার
আপডেট : সোমবার, ১ জুন, ২০২৬

পর্দায় অভিনেতা জিয়াউল ফারুক অপূর্বর আবেগঘন অভিনয় মানেই দর্শকের চোখে যেন জল! এবারের ঈদুল আজহায় মুক্তি পাওয়া ‘মায়াপাখি’ নাটকটির ক্ষেত্রেও এর ব্যতিক্রম ঘটেনি। জাকারিয়া সৌখিন পরিচালিত এবং নাজনীন নিহা ও অপূর্ব অভিনীত এই নাটকটি মুক্তির পর থেকেই দর্শকহৃদয়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। 

বিশেষ করে নাটকের গল্প এবং অভিনয়শিল্পীদের অনবদ্য পারফরম্যান্স দর্শকদের এতটাই ছুঁয়ে গেছে যে, সাধারণ দর্শক নাটকটি দেখে নিজেদের আবেগ ধরে রাখতে পারছেন না।

ঈদের পরদিন সিএমভির ইউটিউব চ্যানেলে মুক্তি পায় নাটকটি। তবে নাটকটি তুলনামূলক বেশ লম্বা হলেও দর্শকের অধিকাংশ মোটেই এটাকে অতিরিক্ত বলে মনে করেননি। ইতোমধ্যে নাটকটির ভিউ ছাড়িয়েছে ৪৬ লাখের বেশি।

ইউটিউবে নাটকটি দেখার পর নানা প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে দর্শক। তবে অধিকাংশই যেন আবেগী হয়ে পড়েছেন। মন্তব্য ঘর গুলো থেকে জানা যায়,  নাটকটি দেখে দর্শকরা কতটা আবেগপ্রবণ হয়েছেন; এবং প্রশংসাসূচক মন্তব্য করছেন।

এক দর্শকের মন্তব্য, বড় ছেলে নাটকের পর অপূর্ব ভাইয়ের অভিনয় দেখে আমি আবার ইমোশোনাল হয়ে গেছি। আরেক দর্শকের মন্তব্য, শুরুতে দুই ঘণ্টার নাটক দেখে বোরিং লাগার আশঙ্কা থাকলেও নাটকটি শেষের দিকে চোখে জল চলে এসেছে। আবার এই ‘মায়াপাখি’ নাটকটিকে কেউ কেউ ঈদের সেরা নাটক হিসেবেও অভিহিত করছেন। সব মিলিয়ে ‘মায়াপাখি’ শুধু ভিউয়ের দিক থেকেই নয়, বরং দর্শকদের মন ছুঁয়ে যাওয়ার দিক থেকেও চলতি বছরের অন্যতম সেরা নাটক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।

একেবারে সাধারণ প্রেম ও দাম্পত্য জীবনের গল্প দিয়ে শুরু হওয়া  ‘মায়াপাখি’-তে সাদাত (অপূর্ব) ও মায়া (নিহা) ভালোবাসায় গড়া ছোট্ট একটি সংসারে সুখ-দুঃখ ভাগাভাগি করে এগিয়ে যাচ্ছিলেন। সাধারণ প্রেম ও দাম্পত্য জীবনের গল্প দিয়ে শুরু হওয়া এই নাটকের গল্প মোড় নেয় ভিন্ন দিকে। গল্পে আরও দেখা যায়, মায়ার জীবনে করপোরেট জগতের প্রবেশের পর বদলে যেতে থাকে তার জীবনযাপন, চিন্তাভাবনা ও অগ্রাধিকার।

নতুন পরিবেশ ও নতুন বাস্তবতা ধীরে ধীরে সাদাত ও মায়ার সম্পর্কের মধ্যে তৈরি করে অদৃশ্য দূরত্ব। ছোট ছোট মতপার্থক্য একসময় রূপ নেয় ভুল বোঝাবুঝি, অবিশ্বাস ও মানসিক বিচ্ছিন্নতায়। একদিকে সাদাত চেষ্টা করে সম্পর্কটিকে আগের মতো ধরে রাখতে, অন্যদিকে মায়া নিজের নতুন জীবনের সঙ্গে তাল মেলাতে গিয়ে ক্রমশ সরে যেতে থাকে সেই পরিচিত বন্ধন থেকে। ফলে তাদের সম্পর্কে ভাঙনের রেখা স্পষ্ট হতে শুরু করে।

তবে ‘মায়াপাখি’ শুধু সম্পর্কের টানাপোড়েনের গল্প হয়ে থাকেনি। গল্পের মাঝামাঝি এসে ঘটে এক রহস্যজনক ঘটনা, যা পুরো কাহিনিকে নতুন মাত্রা দেয়। মায়ার মৃত্যুকে ঘিরে তৈরি হয় একের পর এক প্রশ্ন। এই রহস্য উন্মোচনের পথেই এগোয় নাটকের পরবর্তী অংশ। আর সেই সঙ্গে সামনে আসে সম্পর্ক, ক্যারিয়ার, অহংবোধ ও বিশ্বাসভঙ্গের জটিল বাস্তবতা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও

ফেসবুকে আমরা