বিশেষ করে নাটকের গল্প এবং অভিনয়শিল্পীদের অনবদ্য পারফরম্যান্স দর্শকদের এতটাই ছুঁয়ে গেছে যে, সাধারণ দর্শক নাটকটি দেখে নিজেদের আবেগ ধরে রাখতে পারছেন না।

ঈদের পরদিন সিএমভির ইউটিউব চ্যানেলে মুক্তি পায় নাটকটি। তবে নাটকটি তুলনামূলক বেশ লম্বা হলেও দর্শকের অধিকাংশ মোটেই এটাকে অতিরিক্ত বলে মনে করেননি। ইতোমধ্যে নাটকটির ভিউ ছাড়িয়েছে ৪৬ লাখের বেশি।
ইউটিউবে নাটকটি দেখার পর নানা প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে দর্শক। তবে অধিকাংশই যেন আবেগী হয়ে পড়েছেন। মন্তব্য ঘর গুলো থেকে জানা যায়, নাটকটি দেখে দর্শকরা কতটা আবেগপ্রবণ হয়েছেন; এবং প্রশংসাসূচক মন্তব্য করছেন।
একেবারে সাধারণ প্রেম ও দাম্পত্য জীবনের গল্প দিয়ে শুরু হওয়া ‘মায়াপাখি’-তে সাদাত (অপূর্ব) ও মায়া (নিহা) ভালোবাসায় গড়া ছোট্ট একটি সংসারে সুখ-দুঃখ ভাগাভাগি করে এগিয়ে যাচ্ছিলেন। সাধারণ প্রেম ও দাম্পত্য জীবনের গল্প দিয়ে শুরু হওয়া এই নাটকের গল্প মোড় নেয় ভিন্ন দিকে। গল্পে আরও দেখা যায়, মায়ার জীবনে করপোরেট জগতের প্রবেশের পর বদলে যেতে থাকে তার জীবনযাপন, চিন্তাভাবনা ও অগ্রাধিকার।
নতুন পরিবেশ ও নতুন বাস্তবতা ধীরে ধীরে সাদাত ও মায়ার সম্পর্কের মধ্যে তৈরি করে অদৃশ্য দূরত্ব। ছোট ছোট মতপার্থক্য একসময় রূপ নেয় ভুল বোঝাবুঝি, অবিশ্বাস ও মানসিক বিচ্ছিন্নতায়। একদিকে সাদাত চেষ্টা করে সম্পর্কটিকে আগের মতো ধরে রাখতে, অন্যদিকে মায়া নিজের নতুন জীবনের সঙ্গে তাল মেলাতে গিয়ে ক্রমশ সরে যেতে থাকে সেই পরিচিত বন্ধন থেকে। ফলে তাদের সম্পর্কে ভাঙনের রেখা স্পষ্ট হতে শুরু করে।
তবে ‘মায়াপাখি’ শুধু সম্পর্কের টানাপোড়েনের গল্প হয়ে থাকেনি। গল্পের মাঝামাঝি এসে ঘটে এক রহস্যজনক ঘটনা, যা পুরো কাহিনিকে নতুন মাত্রা দেয়। মায়ার মৃত্যুকে ঘিরে তৈরি হয় একের পর এক প্রশ্ন। এই রহস্য উন্মোচনের পথেই এগোয় নাটকের পরবর্তী অংশ। আর সেই সঙ্গে সামনে আসে সম্পর্ক, ক্যারিয়ার, অহংবোধ ও বিশ্বাসভঙ্গের জটিল বাস্তবতা।