মঙ্গলবার (০২ জুন) দুপুরে সিলেটের বাদাঘাট সোনাতলা গ্রামে পাশবিক নির্যাতনের পর হত্যাকাণ্ডের শিকার শিশু ফাহিমার পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ফাহিমা হত্যা মামলার ২৮ দিন অতিবাহিত হলেও তদন্তে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি না হওয়া অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তিনি বলেন, “একটি অবুঝ শিশুর জীবন ও সম্ভ্রম কেড়ে নেওয়া হয়েছে। এ ধরনের জঘন্য অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, “ফাহিমা হত্যা মামলার বিচার যদি দীর্ঘসূত্রিতার দিকে যায়, তাহলে আমরা ধরে নেব এই বিচার আর হবে না। রাজধানীর রামিসা হত্যাকাণ্ডের বিচারের মতো ফাহিমা হত্যার বিচারও ১৫ দিনের মধ্যে সম্পন্ন হবে—সরকারকে এমন নিশ্চয়তা দিতে হবে। অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনা সরকারের দায়িত্ব। সেই দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে ক্ষমতায় থাকার কোনো যৌক্তিকতা নেই।”
জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, গত মাসে প্রায় ১৫ শতাংশ পর্যন্ত জ্বালানির দাম বাড়ানো হয়েছে। চলতি মাসেও লিটারপ্রতি ৫ টাকা বৃদ্ধি করা হয়েছে। সংসদে কোনো আলোচনা ছাড়াই এভাবে জ্বালানির দাম বাড়ানো জনগণের সঙ্গে প্রতারণার শামিল।
তিনি বলেন, “জ্বালানি খাত নিয়ে একটি কমিটি রয়েছে, সেখানে পর্যন্ত এ বিষয়ে আলোচনা করা হয়নি। জ্বালানির দাম বাড়ার ফলে পরিবহন ব্যয় থেকে শুরু করে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামও বাড়বে। এতে সাধারণ মানুষ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এটি জনস্বার্থবিরোধী সিদ্ধান্ত।”
এসময় জামায়াত আমিরের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন দলের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও সিলেট অঞ্চলের পরিচালক অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগরী আমির মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম এবং সিলেট জেলা আমির মাওলানা হাবিবুর রহমানসহ স্থানীয় পর্যায়ের দায়িত্বশীল নেতারা।