• শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৪৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
‘আদরে আদরে’ দিয়ে সজিব-রিমির নতুন জুটি আবারও আন্তমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন শুরু করেছে ইরান জানা গেল ২০৩০ বিশ্বকাপের ফাইনালের ভেন্যুর নাম সৌদি রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে ফের মুখ খুললেন মেঘনা আলম গোপালগঞ্জে ডিবি পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ নারী কারবারি আটক বগুড়ায় বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধারের ঘটনায় গ্ৰেফতার ১ , উদ্ধারকৃত লাশটি নৃত্য শিল্পী নিঝুমের চুয়াডাঙ্গায় ৪৫ সার ডিলারশিপের বিপরীতে ৬৪৩ আবেদন এক সপ্তাহের মধ্যে গ্যাস পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে: প্রধানমন্ত্রী নড়াইলের লোহাগড়া আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে কুপিয়ে হত্যা দিনাজপুর বীরগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৫ নেশাখোরের ৬ মাস করে কারাদণ্ড

মৃত্যু এক অনিবার্য সত্য,সকল প্রাণীকে মৃত্যু স্বাদ গ্রহণ করতে হবে- মৃত্যু অবশ্যম্ভাবী

প্রতিবেদক / ২৬ বার
আপডেট : শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে। মৃত্যু থেকে কেউ পালাতে পারবে না। তাই মুমিন মুসলমানরা মৃত্যুর জন্য সবসময় প্রস্তুত থাকে। মৃত্যুর মাধ্যমেই দুনিয়ার জীবনের সমাপনী আসে এবং আখেরাতের অনন্ত-অসীম জীবনের সূচনা হয়।

পৃথিবীর কোনো মানুষই মৃত্যুকে এড়িয়ে যেতে পারবে না। ইসলামের দৃষ্টিতে মৃত্যু শুধু দুনিয়ার জীবনের সমাপ্তি নয়, বরং আখেরাতের অনন্ত জীবনের সূচনা। তাই একজন মুমিনের জন্য মৃত্যুকে স্মরণ করা এবং সেই দিনের প্রস্তুতি নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

পবিত্র কোরআনে আল্লাহতায়ালা বলেছেন, প্রত্যেক প্রাণীই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করবে। মৃত্যু কখন, কোথায় আসবে—তা মানুষের অজানা হলেও এর সময় আল্লাহর কাছে নির্ধারিত।

আল্লাহ বলেন, নির্ধারিত সময় এসে গেলে কেউ এক মুহূর্তও তা পিছিয়ে দিতে বা এগিয়ে নিতে পারে না। তাই দুনিয়ার জীবনে মানুষের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব হলো, আল্লাহর নির্দেশ মেনে চলা এবং আখেরাতের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করা।

কোরআনে আরও বলা হয়েছে, আল্লাহ জীবন ও মৃত্যু সৃষ্টি করেছেন মানুষকে পরীক্ষা করার জন্য—কে কর্মে শ্রেষ্ঠ, তা দেখার জন্য। অর্থাৎ, এই জীবন শুধু ভোগের জন্য নয়; বরং ভালো কাজ, ইবাদত এবং সৎ জীবনযাপনের মাধ্যমে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার সুযোগ।

ইসলাম মানুষকে বেশি বেশি মৃত্যুর কথা স্মরণ করতে উৎসাহিত করেছে। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামও মৃত্যুকে স্মরণ করতে বলেছেন। কারণ মৃত্যুর কথা মনে রাখলে মানুষ অন্যায় থেকে দূরে থাকে এবং ভালো কাজে নিজেকে নিয়োজিত করার চেষ্টা করে।

রাসুলের একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা হলো—যৌবনকে বার্ধক্যের আগে, সুস্থতাকে অসুস্থতার আগে, সচ্ছলতাকে দারিদ্র্যের আগে, অবসরকে ব্যস্ততার আগে এবং জীবনকে মৃত্যুর আগে মূল্যায়ন করা।

তাই মৃত্যুর প্রস্তুতির অংশ হিসেবে নিয়মিত নামাজ আদায়, কোরআন তেলাওয়াত, জিকির, দোয়া, তওবা ও ইস্তেগফার করা জরুরি। পাশাপাশি মানুষের হক নষ্ট করে থাকলে তা ফিরিয়ে দেওয়া, কারও প্রতি অন্যায় করে থাকলে ক্ষমা চাওয়া এবং ঋণ ও লেনদেনের বিষয়গুলো যথাসম্ভব পরিষ্কার করে নেওয়াও গুরুত্বপূর্ণ।

মৃত্যুর কথা স্মরণ মানে হতাশ হওয়া নয়; বরং জীবনের প্রতিটি মুহূর্তকে অর্থবহ করে তোলা। তাই যতদিন জীবন আছে, ততদিন আল্লাহর নৈকট্য অর্জন, নেক আমল এবং মানুষের কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত করাই হওয়া উচিত একজন মুমিনের প্রধান লক্ষ্য।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও

ফেসবুকে আমরা