অনেকের ধারণা, রাতে ফল খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। তবে পুষ্টিবিদদের মতে, রাতে ফল খেলে সাধারণভাবে শরীরের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা নেই। তবে কারও কারও ক্ষেত্রে সন্ধ্যার পর ফল খেলে অ্যাসিডিটি বা গ্যাসের সমস্যা বাড়তে পারে। এমন সমস্যা হলে রাতে ফল খাওয়া এড়িয়ে চলাই ভালো।
রাতে যেসব ফল এড়িয়ে চলবেন
রাতে লেবুজাতীয় ফল না খাওয়াই ভালো। কমলালেবু, বাতাবিলেবুসহ বিভিন্ন ধরনের লেবুতে অ্যাসিডের পরিমাণ বেশি থাকায় এগুলো কারও কারও পাকস্থলীতে অস্বস্তি বা অ্যাসিডিটির সমস্যা বাড়াতে পারে।
তবে সবার ক্ষেত্রে একই প্রতিক্রিয়া নাও হতে পারে। যাদের এসব ফল খেলে গ্যাস বা অ্যাসিডিটি বাড়ে, তারা বিশেষ করে রাতে লেবুজাতীয় ফল এড়িয়ে চলতে পারেন।
কখন ফল খাওয়া ভালো?
ফল খাওয়ার নির্দিষ্ট সময় নিয়ে কঠোর নিয়ম নেই। তবে অনেকের ক্ষেত্রে খাবারের মাঝামাঝি সময়ে ফল খাওয়া আরামদায়ক হতে পারে। খালি পেটে ফল খেলে কারও কারও পেটের সমস্যা হতে পারে। আবার ভারী খাবার খাওয়ার পরপরই ফল না খাওয়াই ভালো।
সকালের নাশতা ও দুপুরের খাবারের মাঝামাঝি সময় বা বিকেলে ফল খাওয়ার অভ্যাস করা যেতে পারে।
দিনে কতটা ফল খাবেন?
পুষ্টিবিদদের মতে, একজন সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি প্রতিদিন পরিমিত পরিমাণে ফল খেতে পারেন। সাধারণভাবে দিনে প্রায় ১৫০ থেকে ২০০ গ্রাম ফল খাওয়া যেতে পারে। পেয়ারা বা আপেলের মতো গোটা ফলও পরিমাণ অনুযায়ী খাওয়া যায়।
তবে ডায়াবেটিসসহ কোনো শারীরিক সমস্যা থাকলে নিজের ইচ্ছামতো ফলের পরিমাণ নির্ধারণ না করে চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেওয়া ভালো।