• বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০২:৩৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিক্ষিত বেকারত্ব ও নৈতিকতার অবক্ষয়: বাড়ছে সামাজিক অস্থিরতা রাজশাহী সফরে কৃষি ও মৎস্যমন্ত্রী, ফুল দিয়ে বরণ করলেন রাসিক প্রশাসক মির্জাপুরে রাতের আঁধারে নাগরপাড়া নদীতে অবৈধ ড্রেজারে বালু-মাটি উত্তোলন ভোক্তা-অধিকারের অভিযান খুলনায় ১ লক্ষ ৫৩ হাজার ৫ শত টাকা জরিমানা সোনারগাঁয়ে মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার অপহরণের তিন দিন পর উদ্ধার রোহিঙ্গা শিশু রূপগঞ্জে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত-১ ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের নতুন আমির মোহাম্মদ আলমগীর বরিশাল পোর্টরোডে ফুটপাত দখল করে ব্যবসা,২৫ হাজার টাকা জরিমানা গোমস্তাপুরে নিয়ম বহির্ভূতভাবে সার বিক্রির দায়ে সার ডিলারকে জরিমানা ও ম্যানেজারকে কারাদণ্ড

প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ দাবিতে দিল্লি লকডাউন, আটক শত শত

প্রতিবেদক / ৪২ বার
আপডেট : শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ ঘিরে উত্তাল নয়াদিল্লি। শনিবার বিক্ষোভ ঠেকাতে রাজধানীজুড়ে ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করে পুলিশ। আটক করা হয়েছে আন্দোলনের কয়েকজন নেতা, বিক্ষোভকারী ও সাংবাদিককে। কয়েকটি এলাকায় মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধের পাশাপাশি কিছু মেট্রো স্টেশন ও বাজারও বন্ধ রাখা হয়।

ভোটার তালিকা সংশোধনে পক্ষপাতের অভিযোগ তুলে জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবি করছেন আন্দোলনকারীরা। তাঁদের অভিযোগ, এই প্রক্রিয়ায় ক্ষমতাসীন বিজেপি সুবিধা পাচ্ছে। তবে নির্বাচন কমিশন ও বিজেপি অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

আন্দোলনের পরিকল্পনা ছিল মধ্য দিল্লির যন্তর মন্তরে বড় সমাবেশ করার। কিন্তু কর্মসূচি শুরুর আগেই এলাকাটি ঘিরে ফেলে নিরাপত্তা বাহিনী। এরপরও বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ হয়। এ সময় আটক করা হয় ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকেসহ কয়েকজন নেতাকে। আটক করা হয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিকেও বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

দিল্লির প্রধান সড়ক ও প্রবেশপথে বসানো হয় তল্লাশিচৌকি। ব্যারিকেড দিয়ে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হয়। বিক্ষোভের খবর সংগ্রহের সময় কয়েকজন সাংবাদিককেও সাময়িকভাবে আটক করা হয় বলে সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে।

বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছে ভোটার তালিকা থেকে প্রায় ১৩ কোটি এন্ট্রি বাদ দেওয়ার বিষয়টি। নির্বাচন কমিশনের দাবি, যাচাই প্রক্রিয়ায় স্থানান্তরিত, নিখোঁজ ও মৃত ভোটারদের এন্ট্রি বাদ দেওয়া হয়েছে। যোগ্য ভোটারের নাম ভুলবশত বাদ পড়লে পুনরায় অন্তর্ভুক্তির আবেদন করার সুযোগও রয়েছে।

অন্যদিকে বিরোধীদের অভিযোগ, ভোটার তালিকা সংশোধন নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করেছে। আগামী বছর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যে নির্বাচন সামনে রেখে এই বিতর্ক ভারতের রাজনীতিতে নতুন চাপ সৃষ্টি করেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও

ফেসবুকে আমরা