নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
সারা দেশে আগামীকাল বৃহস্পতিবার ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে পালিত হবে মুসলমানদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা। ত্যাগ ও আত্মসমর্পণের মহিমায় প্রতি বছরের মতো এবারও দেশজুড়ে ঈদ উদযাপনে প্রস্তুত দেশবাসী।
দেশে এই উৎসব ‘কোরবানির ঈদ’ নামেও পরিচিত। ঈদের দিন সকালে মুসল্লিরা নিকটস্থ ঈদগাহ ও মসজিদে সমবেত হয়ে ঈদুল আজহার দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজ আদায় করবেন। খতিবরা খুতবায় কোরবানির তাৎপর্য ও ইসলামের ত্যাগের আদর্শ তুলে ধরবেন। ধনী-গরিব নির্বিশেষে সব শ্রেণি-পেশার মানুষ একসঙ্গে ঈদের নামাজ আদায় ও শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন।
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পৃথক বাণীতে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। এছাড়া বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারাও ঈদ শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
ঈদের প্রধান জামাতের জন্য রাজধানীর হাইকোর্ট সংলগ্ন জাতীয় ঈদগাহ ময়দান প্রস্তুত করা হয়েছে। সেখানে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, বিচারপতি, কূটনীতিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ঈদের জামাতে অংশ নেবেন। এ উপলক্ষে নেওয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
ঈদুল আজহা উপলক্ষে সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন গণমাধ্যমেও ঈদ ছুটি চলছে। তবে হাসপাতাল, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস, ফায়ার সার্ভিসসহ জরুরি সেবাগুলো চালু থাকবে।
ঈদের নামাজ শেষে সামর্থ্যবান মুসলমানরা পশু কোরবানি করবেন। ইসলামের ইতিহাস অনুযায়ী, হজরত ইব্রাহিম (আ.)-এর ত্যাগ ও আত্মসমর্পণের ঘটনাকে স্মরণ করে এই কোরবানির বিধান চালু হয়।
এদিকে সৌদি আরবসহ বিশ্বের বহু দেশে আজ ঈদুল আজহা উদযাপিত হচ্ছে। হজ পালনকারীরা আরাফাতের ময়দানসহ বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করছেন।
ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সরকার বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। সিএনজি ও ফিলিং স্টেশনগুলো খোলা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং যাত্রী হয়রানি রোধে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।