• বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ১২:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বিশ্বকাপ স্বপ্নভঙ্গ, তবু বীরের সম্মান পেলেন ওমর আবদুলকাদির আরতান সামাজিক মাধ্যমে ভিডিও ভাইরাল, ২৪ ঘণ্টা পর সীমান্ত থেকে বৃদ্ধকে উদ্ধার করল বিজিবি শিক্ষায় পিছিয়ে থাকায় বিশ্ব প্রতিযোগিতায় কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি হয়নি: শিক্ষামন্ত্রী জনস্বস্তিকে অগ্রাধিকার দিয়ে আসছে নতুন বাজেট: অর্থমন্ত্রী নাইজেরিয়াকে হারিয়ে বিশ্বকাপ মিশনের শেষ প্রস্তুতি সারল পর্তুগাল টস হেরে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বোলিংয়ে বাংলাদেশ সকাল ১১টায় অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজ জয়ের মিশনে বাংলাদেশ শিবগঞ্জ সীমান্তে বিজিবির অভিযানে চোরাই মোবাইল ও মোটরসাইকেলসহ আটক ১ বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচে কোস্টারিকাকে ৩-০ গোলে হাড়িয়েছে ইংল্যান্ড অসাধারণ মানুষের গুণাবলী, মর্যাদা ও জীবনাদর্শ

২৮ বছর পর পুরোনো ঘরেই কি ফিরছেন মমতা?

প্রতিবেদক / ২ বার
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬

কংগ্রেসের হাত ধরেই জাতীয় রাজনীতিতে উত্থান হয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। কিন্তু পরবর্তীতে সেই কংগ্রেসের সঙ্গেই সম্পর্ক ছিন্ন করে নিজস্ব দল গঠন করে পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেন তিনি। এখন আবার কি পুরনো দলে ফেরার সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে—এই প্রশ্ন ঘিরেই নতুন করে জোরালো হয়েছে রাজনৈতিক জল্পনা। খবর এবিপি আনন্দের। 

একসময়ে কংগ্রেসের সঙ্গে জোট করে রাজ্যে ক্ষমতায় আসা, পরে সেই দলকেই রাজ্য রাজনীতি থেকে প্রায় সরিয়ে দেওয়ার কৌশল সব মিলিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক যাত্রা ঘিরে বহু মোড় রয়েছে। ১৯৯৮ সালে কংগ্রেস ছাড়ার পর তিনি পৃথক দল গঠন করে জাতীয় রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করেন এবং পরবর্তীতে এনডিএ সরকারের সময়েও মন্ত্রী হন।

এরপর ২০১১ সালে আবার এই কংগ্রেসের সঙ্গে জোট করেই প্রথমবার পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় আসেন তৃণমূল। তবে সেই সম্পর্কও দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। এখন আবার তিনি ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যখন কংগ্রেস শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে বারবার বৈঠক করছেন, আলাপ-আলোচনা করছেন, তখন প্রদেশ কংগ্রেসের একটা বড় অংশ ক্ষোভ প্রকাশ করছে। কেউ আবার মধ্য়পন্থা নিচ্ছেন।

সিপিএমের সঙ্গে জোট করে মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘি বিধানসভা আসনে জয় পেয়েছিল কংগ্রেস। তবে সেই একমাত্র বিধায়ক বায়রন বিশ্বাসকেও পরবর্তীতে নিজেদের দিকে টেনে নেয় তৃণমূল। একইভাবে দলবদলের রাজনীতির প্রেক্ষাপটে কংগ্রেস পরিচালিত ঝালদা পুরসভাও দখল করে তারা।

২০১৫ সালের পুরভোটে মুর্শিদাবাদ জেলার সাতটি পুরসভার একটিতেও জয় পায়নি তৃণমূল। কিন্তু পরবর্তীতে বিরোধী শিবির ভেঙে একে একে সবকটি পুরসভাই তাদের দখলে আসে। এমনকি কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণে থাকা জেলা পরিষদও হাতছাড়া হয় বিরোধীদের। এখন সেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই কি কংগ্রেসের সঙ্গে নতুন করে ঘনিষ্ঠতার পথে হাঁটছেন—এই প্রশ্নই ঘুরছে রাজনৈতিক মহলে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ১০ জনপথে গিয়ে সনিয়া গান্ধীর সঙ্গে বৈঠক করেন। এরপর বুধবার সেখানে গিয়ে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে প্রদেশ কংগ্রেসে এ নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। তাদের একাংশ স্পষ্টই দাবি করছে, কংগ্রেসে ফেরার কোনও বাস্তব সম্ভাবনা নেই। বরং ভবিষ্যতে দুই দলের মধ্যে নির্বাচনী জোট বা সমঝোতার সম্ভাবনাই বেশি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও

ফেসবুকে আমরা