নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলায় জঙ্গলসংলগ্ন এলাকা থেকে গলাকাটা অবস্থায় এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরে পিবিআই ও থানা পুলিশের যৌথ তৎপরতায় নিহতের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে।
নিহত যুবকের নাম মো. কাওসার আলম। তিনি দিনাজপুর জেলার বিরামপুর উপজেলার দেবীপুর গ্রামের মো. জামেদ আলী ও মোছাঃ লাইলী বেগমের ছেলে। তিনি গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলায় বসবাস করতেন এবং সেখান থেকেই নিখোঁজ ছিলেন বলে জানা গেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকালে মশাখালী ইউনিয়নের দরি চারবাড়িয়া গ্রামের শাহাকান্দা কাইল্লার ভিটা এলাকায় এক ব্যক্তি জঙ্গলের ভেতর গাছের সঙ্গে বাঁধা একটি লাশ দেখতে পান। কাছে গিয়ে দেখা যায়, লাশের মাথা দেহ থেকে বিচ্ছিন্ন এবং তা কিছু দূরে পড়ে রয়েছে। পরে স্থানীয়দের মাধ্যমে বিষয়টি পাগলা থানা পুলিশকে জানানো হয়।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ ও খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ভিন্ন স্থানে হত্যা করে পরে লাশটি গুমের উদ্দেশ্যে ওই দুর্গম জঙ্গলে ফেলে রাখা হয়।
ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুল হাসান বলেন, ঘটনার রহস্য উদঘাটন ও জড়িতদের শনাক্তে সিআইডি, পিবিআই ও থানা পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। পরিচয় শনাক্ত হওয়ায় দ্রুত সময়ের মধ্যে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
এ ঘটনায় লাশের সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এদিকে ঘটনাটি এলাকায় চরম চাঞ্চল্য ও আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। স্থানীয়রা দ্রুত হত্যাকারীদের শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।