• মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৪১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সিলেটে শাহজালাল ও শাহপরানের মাজার জিয়ারত রাষ্ট্রপতির পত্নীতলায় ৮০ পিস ট্যাপেন্টাডলসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার কাদেরসহ পাঁচজনের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত,পাবে জুলাই শহিদ-আহতদের পরিবার ইরান যুদ্ধের কারণে যুক্তরাষ্ট্রে গোলাবারুদের ঘাটতি দেখা দিয়েছে: সামরিক বাহিনী আওয়ামী লীগের ৭ নেতার মৃত্যুদণ্ডের রায়ের পর সুপ্রিম কোর্টের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ মানবতাবিরোধী অপরাধে ওবায়দুল কাদের-আরাফাতসহ ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের সাপ্তাহিক মাস্টার প্যারেড অনুষ্ঠিত গোমস্তাপুরে ৪৭ বোতল চোলাই মদসহ দুইজন আটক সাচারে গনেশ পূজা উপলক্ষে আনন্দ রেলি ও শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে একই অভিযোগে বারবার জরিমানা, তবুও বদলায়নি রহমানিয়া পাম্প

ঈশ্বরদীতে রঙিন আঙুর বাগান গড়ে তাক লাগালেন শিক্ষক রকিবুল

প্রতিবেদক / ৪৫ বার
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

পাবনার ঈশ্বরদীতে ব্যতিক্রমী এক আঙুর বাগান গড়ে সাড়া ফেলেছেন কৃষি শিক্ষক রকিবুল ইসলাম। মুলাডুলি ইউনিয়নের শেখপাড়া গ্রামে গড়ে ওঠা এই বাগানে থোকায় থোকায় ঝুলছে লাল, সবুজ ও হলুদ রঙের আঙুর। দূর থেকে দেখলে যেন বিদেশের কোনো ফলখামারের দৃশ্য।

শখের বশে শুরু হলেও এখন তা পরিণত হয়েছে সফল বাণিজ্যিক উদ্যোগে। এক বিঘা জমিতে গড়ে তোলা বাগানে রয়েছে রাশিয়ার ‘বাইকোনুর’সহ কয়েকটি উন্নত জাতের প্রায় দেড়শ আঙুর গাছ। আঙুরের ভারে নুয়ে পড়া গাছগুলো ধরে রাখতে তৈরি করা হয়েছে বিশেষ মাচা ও বাঁশের কাঠামো। পাখির আক্রমণ থেকে ফল রক্ষায় ব্যবহার করা হয়েছে জালের ঘেরা।

উদ্যোক্তা রকিবুল ইসলাম জানান, প্রথমে পরীক্ষামূলকভাবে আঙুর চাষ শুরু করলেও এখন ফল বিক্রির পাশাপাশি বাগানেই চারা উৎপাদন করছেন তিনি। একই জমিতে ড্রাগন ও মাল্টার বাগানও রয়েছে।
স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত এই আঙুরের স্বাদ বিদেশি আঙুরের মতোই মিষ্টি হওয়ায় সাধারণ মানুষের আগ্রহ বাড়ছে দিন দিন। প্রতিদিন দূরদূরান্ত থেকে মানুষ বাগান দেখতে আসছেন। অনেকেই আঙুর চাষে আগ্রহী হয়ে সরাসরি বাগান থেকে চারা কিনে নিচ্ছেন।

বাগানটি এখন শিক্ষার্থীদের কাছেও আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা সেখানে গিয়ে আঙুর চাষের আধুনিক পদ্ধতি সম্পর্কে জানছেন এবং নিজের বাড়িতেও এমন বাগান করার আগ্রহ দেখাচ্ছেন।

ঈশ্বরদী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল মমিন বলেন, কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে নিয়মিত পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের আধুনিক ও লাভজনক ফলচাষ দেশে আরও বিস্তৃত হলে বিদেশি ফল আমদানির ওপর নির্ভরতা কমবে এবং বৈদেশিক মুদ্রাও সাশ্রয় হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও

ফেসবুকে আমরা