ভারতের তরুণদের মধ্যে গড়ে ওঠা কথিত ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ বা সিজেপি আন্দোলন নতুন রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে বিজেপির সামনে। বেকারত্ব, চাকরির পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে ক্ষোভ থেকেই তরুণদের মধ্যে এই আন্দোলনের বিস্তার বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
টানা কয়েক সপ্তাহের আন্দোলনের পর শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ এবং কয়েকটি উপনির্বাচনে বিজেপির পরাজয় নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনা তৈরি করেছে। বিশেষ করে দীর্ঘদিনের দখলে থাকা একটি আসনে পরাজয়কে দলটির জন্য গুরুত্বপূর্ণ ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
তবে বিশ্লেষকদের মতে, শুধু উপনির্বাচনের ফল দিয়ে বিজেপির রাজনৈতিক শক্তি কমে গেছে—এমন সিদ্ধান্তে এখনই পৌঁছানো ঠিক হবে না। দলটি এখনো ভারতের অন্যতম শক্তিশালী ও সংগঠিত রাজনৈতিক শক্তি।
তরুণদের কাছে পৌঁছাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও নতুন কৌশল নিয়েছে বিজেপি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিসহ দলের নেতারা বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে তরুণদের আকৃষ্ট করার চেষ্টা করছেন। তবে এসব প্রচারণা কোথাও কোথাও সমালোচনা ও হাস্যরসের জন্ম দিচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, তরুণদের মধ্যে বেকারত্ব, শিক্ষা ও ভবিষ্যৎ নিয়ে জমে থাকা ক্ষোভ আগামী দিনে বড় রাজনৈতিক ইস্যু হয়ে উঠতে পারে।
তবে এই আন্দোলন এখনই বিজেপির ক্ষমতার ভিত নড়িয়ে দিয়েছে—এমনটা বলা কঠিন। বরং তরুণ সমাজের পরিবর্তিত মনোভাব আগামী দিনের ভারতীয় রাজনীতিতে কতটা প্রভাব ফেলে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।