আগের দিন প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে নিজের প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি পূর্ণ করেছিলেন হৃদয়। সেখানেই থামেননি তিনি। দক্ষিণ আফ্রিকার বোলিং আক্রমণের ওপর আধিপত্য ধরে রেখে দলকে প্রথম ইনিংসে লিডের পথে এগিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি গড়েছেন বাংলাদেশের ক্রিকেটে বিরল এক কীর্তি।
হৃদয়ের এই দুর্দান্ত ইনিংসের ভিত গড়ে দেন জাকের আলী। পঞ্চম উইকেটে দুজনের ১৫১ রানের জুটি বাংলাদেশকে ম্যাচে ফিরিয়ে আনে। মাত্র ৬ রানের জন্য সেঞ্চুরি থেকে বঞ্চিত হন জাকের। ১৬৮ বলে ৯৪ রান করে ফেরেন তিনি।
এরপর মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনকে সঙ্গে নিয়ে আরও বড় জুটি গড়েন হৃদয়। ষষ্ঠ উইকেটে দুজন যোগ করেন ১৮৫ রান। সাইফউদ্দিন ১৭১ বলে করেন ৮৭ রান।
এর আগে ম্যাচের শুরু থেকেই দাপট দেখায় দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ দল। প্রথম ইনিংসে ৫১২ রান করে স্বাগতিকরা। লেসেগো সেনোকওয়ানে ১১১ এবং সিনেথেম্বা কেশিল ১২৮ রান করেন। আর সেঞ্চুরির খুব কাছে গিয়ে ৯৭ রানে থামেন গ্যাভিন কাপলান।
স্বাগতিকদের বিশাল সংগ্রহের জবাবে তৃতীয় দিন শেষে বাংলাদেশ ‘এ’ দলের সংগ্রহ ছিল ৩৭১/৬। সেখান থেকে শেষ দিনে তাওহিদ হৃদয়ের ব্যাটে বদলে যায় ম্যাচের চিত্র। তাঁর অসাধারণ ব্যাটিংয়ে শুধু দলকে বিপদমুক্ত করাই নয়, বাংলাদেশের ক্রিকেটে নতুন ইতিহাসও যোগ হলো।