• শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:১১ পূর্বাহ্ন

রূপালি পর্দায় আলো ছড়ানো তিন দশক: পূর্ণিমার ঝলমলে চলচ্চিত্র যাত্রা

নিজস্ব প্রতিনিধি বাংলাদেশ নিউজ টুডে / ২২ বার
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

নব্বইয়ের দশকের শেষভাগে ঢাকাই চলচ্চিত্রে আগমন ঘটে প্রতিভাবান অভিনেত্রী পূর্ণিমার। নিজের সহজাত অভিনয়দক্ষতা ও সৌন্দর্যে খুব দ্রুতই তিনি কোটি দর্শকের হৃদয় জয় করে নেন। দীর্ঘ পথচলায় রোমান্টিক, পারিবারিক ও সামাজিক টানাপোড়েনের নানামাত্রিক চরিত্রে রূপদান করে তিনি হয়ে ওঠেন বাংলাদেশের মূলধারার সিনেমার অন্যতম শীর্ষ ও আস্থার নাম।

​১৯৯৮ সালে খ্যাতনামা পরিচালক জাকির হোসেন রাজুর ‘এ জীবন তোমার আমার’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বড় পর্দায় পূর্ণিমার অভিষেক ঘটে। প্রথম সিনেমাতেই তিনি নিজের প্রতিভার স্বাক্ষর রাখেন। পরবর্তীতে ‘শাস্তি’, ‘সুভা’, ‘মেঘের পরে মেঘ’, ‘মনের মাঝে তুমি’, ‘হৃদয়ের কথা’ এবং ‘চাঁদের মতো বউ’-এর মতো একের পর এক ব্যবসাসফল ও প্রশংসিত চলচ্চিত্রে অভিনয় করে চলচ্চিত্রে নিজের অবস্থান স্থায়ী করেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গল্প অবলম্বনে তৈরি কালজয়ী সৃষ্টি কিংবা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক পটভূমির চলচ্চিত্রেও তাঁর উপস্থিতি ছিল অনবদ্য।

​পূর্ণিমার ক্যারিয়ারে চিত্রনায়ক রিয়াজের সঙ্গে তাঁর জুটি বাংলা সিনেমার ইতিহাসে অন্যতম সফল ও জনপ্রিয় জুটি হিসেবে বিবেচিত। বিশেষ করে তাঁদের অভিনীত ‘মনের মাঝে তুমি’ চলচ্চিত্রটি উভয় বাংলার দর্শকমহলেই বিশাল আলোড়ন সৃষ্টি করে। রিয়াজ ছাড়াও চিত্রনায়ক ফেরদৌস এবং শাকিব খানের মতো তারকাদের সাথেও তিনি অসংখ্য হিট সিনেমা উপহার দিয়েছেন।

​শুধু সিনেমার পর্দাতেই নয়, চমৎকার বাচনভঙ্গি ও উপস্থাপনা দিয়ে ছোট পর্দায়ও নিজের বহুমুখী দক্ষতার প্রমাণ দিয়েছেন এই অভিনেত্রী। চলচ্চিত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি লাভ করেছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারসহ একাধিক মর্যাদাপূর্ণ সম্মাননা।

​পারিবারিক ও ব্যক্তিগত ব্যস্ততার কারণে বর্তমানে বড় পর্দায় তাঁর উপস্থিতি আগের চেয়ে কিছুটা কমে এলেও তাঁকে ঘিরে ভক্তদের আগ্রহ বিন্দুমাত্র কমেনি। দেখতে দেখতে অভিনয় জীবনের প্রায় তিন দশক অতিক্রম করলেও ঢাকাই চলচ্চিত্রের ইতিহাস ও দর্শকের স্মৃতির কোঠায় পূর্ণিমার সৃষ্টিশীল চরিত্রগুলো চিরকাল উজ্জ্বল হয়ে থাকবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও

ফেসবুকে আমরা