গাজীপুরের কালিয়াকৈরে চন্দ্রা ভাতারিয়া এলাকা থেকে গত সোমবার রাতে এক শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
পরে গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।
নিহত ওই শ্রমিক নাম আসমাউল আলম(২২) সে ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার ভবনগর গ্রামের লাল মোহাম্মদের ছেলে ।সে পশ্চিম চান্দরা ভাতারিয়া এলাকায় ফজলুল হক মাষ্টারের বাড়িতে ভাড়া থেকে স্থানীয়রা একটি কারখানায় চাকরি করতো।এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।
পুলিশ সূত্র জানায় এক সপ্তাহ আগে স্ত্রী ঝগড়া করে বাবার বাড়িতে চলে যায়।এর পর থেকেই আসমাউল মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে। এছাড়াও দীর্ঘদিন ধরে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক কলহ বিবাদ সৃষ্টি হয়। এদিকে সোমবার দুপুরে স্ত্রী ও স্বজনদের সাথে পারিবারিক কলহ নিয়ে শেষ কথা হয়। এদিকে স্বজনরা দুপুরের পর থেকে তার সাথে একাধিক বার ফোনে কথা বলার চেষ্টা করে। পরে ফোন রিসিভ না করায় স্বজনদের সন্দেহ হলে বাসায় গিয়ে ঘরের দরজা বন্ধ দেখে অনেক ডাকাডাকি করে কোন সাড়া শব্দ না পেয়ে জানালার ফাঁক দিয়ে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে জানায়।পরে রাতের সাড়ে এগারোটার দিকে ঘটনাস্থল থেকে ঘরের দরজা ভেঙে ঘরের ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে স্বজনদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ হস্তান্তর করেন পুলিশ।কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি শহিদুল ইসলাম বলেন শ্রমিকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে স্বজনদের আপত্তি নেই বিদায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ বিষয়ে অপমৃত্যুর মামলা রজু করা হয়েছে।