নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, কোরবানির শিক্ষা শোষণমুক্ত ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় মানুষকে অনুপ্রাণিত করে। ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ইসলামকে পরিপূর্ণভাবে অনুসরণের আহ্বান জানান তিনি।
গতকাল (২৪ মে) দেওয়া এক বিবৃতিতে জামায়াত আমির বলেন, হজরত ইব্রাহিম (আ.), হজরত হাজেরা ও হজরত ইসমাইল (আ.)-এর ত্যাগের স্মৃতিবিজড়িত পবিত্র ঈদুল আজহা মুসলিম উম্মাহকে আত্মত্যাগ ও মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য সবকিছু উৎসর্গ করার শিক্ষা দেয়। তিনি বলেন, সামাজিক বৈষম্য দূরীকরণ এবং মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন সমাজ গঠনে কোরবানির আদর্শ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি আরও বলেন, দেশ থেকে ফ্যাসিবাদী শক্তি পালিয়ে গেলেও এখনো পুরোপুরি ফ্যাসিবাদমুক্ত পরিবেশ তৈরি হয়নি। বিদেশে অবস্থান করে এবং দেশের ভেতরে আত্মগোপনে থেকে একটি মহল নানা ধরনের ষড়যন্ত্র ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এসব অপচেষ্টা মোকাবিলার আহ্বান জানান তিনি।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, শান্তি, স্থিতিশীলতা ও মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন-সংগ্রাম অব্যাহত রাখতে হবে। তিনি হজরত ইব্রাহিম (আ.), হজরত হাজেরা ও হজরত ইসমাইল (আ.)-এর মহান ত্যাগের আদর্শ অনুসরণ করে আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠায় জানমাল কোরবানি করার আহ্বান জানান।
বিবৃতির শেষে তিনি দেশবাসীর সুখ-শান্তি, সমৃদ্ধি ও নিরাপদ জীবনের জন্য মহান আল্লাহর কাছে দোয়া কামনা করেন এবং নিজের ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-র পক্ষ থেকে সবাইকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানান।